সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
নোয়াখালীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার নোয়াখালীর হাতিয়ায় ৩লাখ মিটার কারেন্টজাল ধ্বংস নোয়াখালীতে আব্দুল মালেক উকিলের ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত বেগমগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিক্ষোভ মিছিল চৌমুহনীতে মন্দির ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা,ভাঙচুর নিহত ১, আহত ১৮, কাল ১৪৪ ধারা হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভালোবাসায় শিক্ত হলেন একরামুল করিম চৌধুরী পূজা মন্ডপে অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টাকারীরা পার পাবে না : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউপি নির্বাচনে বিতর্কিত কেউ মনোনয়ন পেলে সংশোধন আনা হবে:ওবায়দুল কাদের ছেলে বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা, পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করায় বাবা গ্রেফতার হাতিয়াতে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণ, থানায় মামলা

২৪ ঘন্টা ঘুরেও মেলেনি আইসিইউ, মারা গেলেন দুই ভাই

একটি আইসিইউর জন্য দীর্ঘ ২৪ ঘন্টা ধরে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেছেন। টাকা যত লাগে, ততই দিতেও চেয়েছিলেন। কিন্তু মেলেনি একটি আইসিইউ। শেষ পর্যন্ত শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রথমে মারা গেলেন বড় ভাই। তার ৮ ঘন্টা পর মারা যান ছোট ভাই।
হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে। শুক্রবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে মারা যান ছোট ভাই মো. শাহ জাহান (৩২)। তিনি হাটহাজারী বাজারের এন জহুর মার্কেটের কাপড়ের দোকানের ব্যবসায়ী।এর আগে দুপুরে মারা যান বড় ভাই মো. শাহ আলম (৩৬)। তিনি মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী।

তারা হাটহাজারী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের পূর্ব দেওয়ান নগর জোহরা বাপের বাড়ির মরহুম গোলাম রসুলের ছেলে। তাদের করুণ মৃত্যুতে হাটহাজারী পৌর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং আইসিইউ না পাওয়ায় এক রকম বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ তুলেন তাদের স্বজনরা।

স্বজনরা জানান,করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ৩০ মে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন দুই ভাই। এর মধ্যে তাদের শ্বাসকষ্ট চরমে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের আইসিইউতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

এরপর শুরু হয় আইসিইউর খোঁজ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে একের পর এক চট্টগ্রাম মহানগরীর সরকারি-বেসরকারি সবকটি হাসপাতাল ঘুরে ঘুরে একটি আইসিইউ ভিক্ষা চাওয়া হয়। এ জন্য যত টাকা প্রয়োজন তত টাকা দিতেও রাজি ছিল পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কোথাও আইসিইউ শয্যা খালি নেই বলে জানান হাসপাতালগুলোর কর্তৃপক্ষ। ফলে আইসিইউর অভাবে শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালেই মারা যান বড় ভাই মো. শাহ আলম।

এরপর ছোট ভাইকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠে পরিবারের সকলে। কিন্তু একটি আইসিইউ না পাওয়ার কারণে রাত ১০ টার দিকে শ্বাসকষ্টে ভুগে মারা যান ছোট ভাই মো. শাহ জাহানও।

স্বজনরা আরো জানান, শাহ আলম দুবাইয়ে ব্যবসা করতেন। গত জানুয়ারি মাসে ছুটিতে এসে লকডাউনে আটকা পড়ে আর দুবাইয়ে ফিরতে পারেননি তিনি। শাহ আলমের ৬ বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।

অন্যদিকে তার ছোট ভাই শাহজাহানের রয়েছে হাটহাজারী বাজারের এন জহুর শপিং সেন্টার মার্কেটে একটি কাপড়ের দোকান। স্ত্রী ছাড়াও তার রয়েছে এক ও পাঁচবছর বয়সী দুটি সন্তান।

স্বজনদের অভিযোগ, ৩০ মে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর দুই ভাইয়ের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি। ফলে মৃত্যুর আগে তারা করোনা আক্রান্ত কিনা তাও জানতে পারলেন না। তাদের করুণ মৃত্যুতে হাটহাজারীতে শোকের মাতম চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পুরাতন খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© All rights reserved © 2017 nktelevision
Design & Developed BY Shera Web