সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ১০:৪৫ অপরাহ্ন

বৃটেনে করোনায় মৃত্যুর শীর্ষে টেক্সিচালক

দি অ্যাপ ড্রাইভার্স অ্যান্ড ক্যারিয়ার্স ইউনিয়নের গবেষণায় উঠে এসেছে, এ পর্যন্ত বৃটেনে যত লোক মারা গেছেন তাদের মধ্যে বয়বৃদ্ধ বা যারা বেশী বয়সে মারা গেছেন, তাদের ছাড়া কর্মজীবীদের মধ্যে বেশীর ভাগই মিনি ক্যাব বা টেক্সিচালক। এরপরই রয়েছেন ডাক্তার, নার্স বা ফ্রন্ট লাইন ওয়ারকাররা। যারা সব সময় করোনা রোগীদের সংস্পর্শে থেকেছেন তাদেরই মৃত্যু বেশি হয়েছে। টেক্সিচালকরা তাদের মধ্যে অন্যতম।

ডিপার্টম্যান্ট ফর ট্রান্সপোর্ট ইংল্যান্ড এর মূখপাত্র পারসন মি মার্রাট বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য টেক্সিচালকরা সরকারি বিধি নিষেধ ঠিকমত নেমে চলেননি। যদি সরকারি নিয়ম নীতি ফলো করতেন তা হলে মৃত্যুর সংখ্যা আরো কম হতো।

যেসব টেক্সিচালক সরকারি নিয়মকে তুয়াক্কা করেননি তারা নিজেরা আক্রান্ত হয়েছেন, পরিবারকে আক্রান্ত করেছেন, প্যাসেন্জারকে ফেলেছেন মহাবিপদে। অর্থ উপার্জন করতে গিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে করেছেন আলিঙ্গন।

কুইন মেরী ইউনিভার্সিটির সোসালিস্ট প্রফেসর মার্ট উলিয়াম বলেন, টেক্সিচালকদের মুখ দেখলেই বিষন্নতা নেমে আসে, তাদের করোনা ভাইরাস জীবাণু মোকাবিলা করার কোনো ইকুইপমেন্ট নাই”। নিজেদের প্রটেকশন তো নাইই যাত্রীদেরও কোনো প্রটেকশন দেয় না।

সরকারিভাবে পরিষ্কার গাইড লাইন বা ঘোষণা দেওয়া আছে। টেক্সিচালককে অবশ্যই পিপিই ব্যাবহার করতে হবে। মুখে মাস্ক পরতে হবে। হাতে গ্লাভস অথবা সেনেটাইজার ব্যবহার করতে হবে।
যাত্রীকেও মুখে মাস্ক গ্লাভস বাধ্যতামূলক। যদি যাত্রীদের ইকুয়েপমেন্ট না থাকে তবে ট্যাক্সিচালককে প্রোভাইড করে গাড়িতে তুলতে হবে। অনেক চালক নিয়মনীতি না মানার ফলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।

টেক্সিচালকরা বেশির ভাগ পুরুষ, ব্ল্যাক, এশিয়ান এবং এথনিক বা প্রবাসী বিদেশি। বৃটেনে প্রবাসী বৃটিশরাই করোনাভাইরাসে মারা গেছেন বেশি। টেক্সিচালকদের আরো সতর্ক ও সাবধানতা অবলম্বন করে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তা না হলে পরিস্থিতি হতে পারে আরো ভয়াবহ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

পুরাতন খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© All rights reserved © 2017 nktelevision
Design & Developed BY Shera Web