June 21, 2021, 6:34 am

সংবাদ শিরোনাম
নোয়াখালীতে ওবায়দুল কাদেরকে কটূক্তিকারীর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল সম্রাটের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও আশ্রাফ হোসেন রবেন্সের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সারা দেশে রিকশা-ভ্যান নিষিদ্ধ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নোয়াখালীতে লকডাউনে কর্মহীন এক হাজার দোকানদার ও কর্মচারীর মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করোনা আক্রান্ত দরিদ্র রোগীদের জন্য নগদ আর্থিক অনুদান দিলেন এমপি একরামুল করিম চৌধুরী সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে আপন দুই বড় ভাই গণপরিবহনে অবাধে যাতায়াত করায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিএনপির রাজনীতি দলীয় কার্যালয়ে বন্দি: মাহবুব উল আলম হানিফ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে রক্তের বন্যা বইয়ে দেবে: ওবায়দুল কাদের ভল্টের টাকা উধাও, যা বললেন ঢাকা ব্যাংকের এমডি

প্রেসিডেন্ট পার্কে বিদিশা: জাপায় গুঞ্জন

প্রতিবেদক: জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তাঁর বিপুল সম্পদের কিছু অংশ নিজের গড়া ট্রাস্টে দান করে গেছেন, কিছু সম্পদ আত্মীয়-স্বজন ও পালিত ছেলে-মেয়েদের মাঝে বিলি বণ্টন করে দিয়েছেন। এর বাইরেও তাঁর নামে কয়েক’শ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে যা কাউকে দান করে দেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক সম্প্রতি বারিধারার ‘প্রেসিডেন্ট পার্কে’ অবস্থান নেওয়ায় এ নিয়ে নানা গুঞ্জন দেয়া দিয়েছে। যদিও তাঁর দাবি, প্রতিবন্ধী সন্তান এরিককে দেখাশোনার জন্যই তিনি বাসভবনটিতে রয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট পার্কে বিদিশা অবস্থান নেওয়ার পরপরই হঠাৎ করে এরশাদের নিয়োগ দেওয়া পুরনো সব কর্মচারীকে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পার্টিতে এরশাদের ভাই জি এম কাদের বিরোধী হিসেবে পরিচিতদের নিয়ে পুনর্গঠন করা হয়েছে ‘এরশাদ ট্রাস্ট’।

বিদিশা অবশ্য করোনাকালে এসব বিষয়ে কথা বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন। মহামারি-পরবর্তী সময়ে সব প্রশ্নের উত্তর দেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

জানা যায়, ২০১৯ সালের ৭ এপ্রিল এরশাদ নিজের নামে ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন। এতে তাঁর দান করা সম্পদের তালিকায় রয়েছে —বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্ক, গুলশানের দু’টি ফ্ল্যাট, বাংলামোটরের একটি দোকান, রংপুরের একটি কোল্ড স্টোরেজ, রংপুরে এরশাদের বাড়ি ‘পল্লী নিবাস’, রংপুর জাতীয় পার্টির কার্যালয় এবং ব্যাংকে রাখা ১০ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট।

ট্রাস্টের অসিয়তনামায় বলা হয়েছে, ট্রাস্টের আয় থেকে তাঁর ছেলে শাহতা জারাব এরিক এরশাদের ভরণ-পোষণের পর উদ্বৃত্ত অর্থ সামাজিক কাজে ব্যয় করা হবে।

ট্রাস্টটি গঠনের সময় এর পরিচালক করা হয় মেজর (অব.) খালেদকে। সদস্য হন এইচ এম এরশাদ নিজে। এ ছাড়া এরিক, এরশাদের চাচাতো ভাই মুকুল ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীরকে সদস্য করা হয়।

এরশাদ তাঁর গুলশান-২-এর বাড়িটি রওশন এরশাদকে দিয়েছেন বহু আগেই। পালিত ছেলে আরমানকে দেওয়া হয়েছে গুলশানের একটি ফ্ল্যাট। রংপুরের সম্পত্তি পেয়েছেন ভাই জি এম কাদের ও ভাতিজা আতিক শাহরিয়ার। কয়েক বছর আগে চলচ্চিত্র পরিচালক শফি বিক্রমপুরীর কাছ থেকে কেনা ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির প্রধান কার্যালয়টি এরশাদের নামে ছিল। এটি তিনি পার্টিকে দান করে গেছেন।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এর বাইরেও এরশাদের অনেক সম্পদ রয়েছে। ২০১৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় হলফনামায় এরশাদ উল্লেখ করেন, তাঁর বার্ষিক আয় এক কোটি আট লাখ টাকা। আয়ের উৎস ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে পাওয়া বার্ষিক সম্মানীর ৭৪ লাখ টাকা এবং বিভিন্ন কম্পানির শেয়ার থেকে পাওয়া সম্মানী। সূত্র মতে, ইউনিয়ন ব্যাংকে এরশাদের ৪০০ কোটি টাকার শেয়ার রয়েছে যা তিনি কাউকে দিয়ে যাননি। এ ছাড়া রয়েছে গুলশান ও বনানীতে দুটি করে ফ্ল্যাট, সাভারে ৫০ একর জমি, জাপার এক সাবেক মহাসচিবের কাছে ২০০ কোটি, একজন অতিরিক্ত মহাসচিবের কাছে ১৭ কোটি, সাবেক এক ব্যক্তিগত কর্মকর্তার কাছে ৪০ কোটি এবং প্রেস উইংয়ের কাজে জড়িত একজনের কাছে ৩৫ কোটি টাকা গচ্ছিত রয়েছে।

জানা যায়, মূলত মেজর (অব.) খালেদের সহযোগিতায় প্রেসিডেন্ট পার্কে প্রবেশ করে বিদিশা নিজের মতো করে সাজিয়েছেন ট্রাস্টের পরিচালনা পর্ষদ। পরিচালক করা হয়েছে মেজর (অব.) খালেদকে এবং ফকরউজ্জামান জাহাঙ্গীর ও কাজী মামুনকে করা হয়েছে সদস্য। জাপার রাজনীতিতে এই তিনজনই জি এম কাদেরবিরোধী হিসেবে পরিচিত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পুরাতন খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© All rights reserved © 2017 nktelevision
Design & Developed BY Freelancer Zone