বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:১২ অপরাহ্ন

ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভাগ্নী বউকে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক দুই

প্রতিবেদক: নিজের ভাগ্নী বউকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় গড্ডিমারী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বুড়িমারী স্থলবন্দরে খন্দকার হোটেলের মালিক আক্তার খন্দকার। মামার পক্ষে কথা বলায় স্বামী আতিয়ার রহমানকেও আটক করে থানায় দেয়া হয়।

সোমবার  দুপুরে আক্তার খন্দকার ও আতিয়ার রহমানকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন পাটগ্রাম থানা পুলিশ। এর আগে রোববার রাতে বুড়িমারী স্থলবন্দর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আক্তার খন্দকার উপজেলার মধ্য গড্ডিমারী (মিলনবাজার) এলাকার নেহার উদ্দিনের ছেলে। আতিয়ার রহমান ওই এলাকার নুর হোসেন অরফে দুলার মিয়ার ছেলে।

এদিকে আক্তার খন্দকার সামনে গড্ডিমারী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে মাঠে প্রচার প্রচারনা করছে বলে অনেকেই জানান।

জানা গেছে, বুড়িমারী স্থলবন্দর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন খন্দকার হোটেলের ম্যানেজার আতিয়ার রহমানের পরিবারসহ মালিক আক্তার খন্দকার। একই বাসায় থাকার সুযোগে মালিক প্রায় রাতে তার ভাগ্নী বউ আর্জিনা বেগমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং কাউকে না বলার জন্য হুমকি দেয়।

এমনিভাবে ৮ সেপ্টেম্বর রাতে আক্তার খন্দকার তার ভাগ্নী বউকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করলে আর্জিনা বেগম বিষয়টি তার স্বামী আতিয়ার রহমানকে জানান। আতিয়ার রহমান বিষয়টি কিছুতেই বিশ্বাস না করে উল্টো তাকে সাবধান করে দেয়। ভবিষ্যতে ফ্যামিলির কারো সঙ্গে না এবিষয়ে আলোচনা না করার জন্য হুমকি দেন।

অতঃপর কোন কূলকিনারা না পেয়ে আর্জিনা বেগম রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে হোটেলের সামনে গিয়ে আক্তার খন্দকারকে আটক করে তাকে বিয়ে করার জন্য চিল্লাচিল্লি করতে থাকেন। এসময় স্বামী আতিয়ার রহমান আক্তার খন্দকারের পক্ষ নিয়ে কথা বললে ঝামেলা আরও বাড়তে থাকে।

এসময় শতশত  উপস্থিত জনতা আক্তার খন্দকার ও আতিয়ার রহমানকে আটক করে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদে জমা দেন। চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ নিশাদ ঘটনা বেগতিক দেখে পাটগ্রাম থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে আক্তার খন্দকার ও আতিয়ার রহমানকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

পরে রাতেই আর্জিনা বেগম বাদী হয়ে মামা আক্তার খন্দকার ও তার স্বামী আতিয়ার রহমানকে আসামী করে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

এবিষয়ে জানার জন্য বুড়িমারী ইউপি চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ নিশাদ বলেন, শতশত জনতা আক্তার খন্দকার ও আতিয়ার রহমানকে ইউনিয়ন পরিষদের জমা দিয়ে বিষয়টি আমায় জানায়। আমার স্ত্রীর করোনা পজেটিভ এবং আমি লক ডাউনে আছি। এছাড়াও এ বিচার করার কোন এখতিয়ার আমার নেই। তাই খবর দিলে পুলিশ এসে তাদের নিয়ে যায়।

পাটগ্রাম থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আক্তার খন্দকার ও আতিয়ার রহমানকে আজ দুপুরে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পুরাতন খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© All rights reserved © 2017 nktelevision
Design & Developed BY Shera Web