প্রতিবেদক:নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বসতঘরের টিন কেটে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে (৩০) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকীম।
ভুক্তভোগী গৃহবধূর ভাষ্যমতে, গত শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার চরবালুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের চরবালুয়া পুলিশ ক্যাম্পে অভিযুক্তকে সোপর্দ স্থানীয়রা।
আটককৃত ব্যক্তির নাম তারেক (৩৫)। সে একই গ্রামের আলমগীর সওদাগরের পালক ছেলে।
ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, ভিকটিম দুই সন্তানের জননী। তার স্বামী দিনমজুর হিসেবে কুমিল্লায় কাজ করেন। ঘটনার রাতে তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে একা ছিলেন। বাইরে প্রবল বৃষ্টি চলাকালে রাত দেড়টার দিকে তারেক দরজার পাশের টিন কেটে ঘরে প্রবেশ করে। প্রথমে টাকা-পয়সা ও মালামাল খোঁজাখুঁজি করে। ঘরে কিছু না পেয়ে যাওয়ার সময় গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে তারেককে ওই দিন রাত ১০টার দিকে ধরে চরবালুয়া পুলিশ ক্যাম্পে সোপর্দ করে স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চরবালুয়া কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার একটি দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন এলাকা। তারেকসহ আরও কয়েকজন যুবক গৃহবধূকে ধর্ষণের এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে শুধুমাত্র তারেককে আটক করে একাধিক মামলার আসামি শাহীন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের এবং অভিযুক্ত যুবককে অন্য কারও নাম প্রকাশ না করার জন্য হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার শাহীনের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকীম বলেন, ধর্ষণের একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে।