
নোয়াখালী প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ আন্ত:জিলা বাস মালিক সমিতি ও আন্তজিলা শ্রমিক ইউনিয়ন বি-১১৪৩ সোনাপুর শাখার যৌথ উদ্যেগে মৃত্যুবরণকারী ১০ পরিবহন শ্রমিক পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান করা করেছে।
শনিবার বিকেলে আন্ত:জিলা বাস মালিক সমিতি সোনাপুর শাখা সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আন্ত:জিলা বাস মালিক সমিতি ও আন্তজিলা শ্রমিক ইউনিয়ন (বি-১১৪৩) এর অন্তর্ভূক্ত মৃত্যুবরণকারী প্রতিটি শ্রমিক পরিবারকে কল্যাণ তহবিল থেকে নগদ ২০ হাজার ১০ জন কে মোট ২ লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়।
নগদ টাকা পেয়ে মৃত্যুবরণকারী শ্রমিকদের পরিবার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এই মহৎ উদ্যোগের জন্য আন্ত:জিলা বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তারা।
সোনাপুর শাখা আন্ত:জিলা বাস মালিক সমিতি এর সভাপতি শহিদ উল্যার সভাপতিত্বে ও সম্পাদক মোহম্মদ হারুনের পরিচালনায় আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য ও আন্ত:জিলা বাস মালিক সমিতির উপদেষ্টা ফিরোজ আলম মতিন ।
প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমাম শরীফ মাইজ ভান্ডারি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য ও আন্ত:জিলা বাস মালিক সমিতির উপদেষ্টা শহিদুল ইসলাম কিরণ,নোয়াখালী জেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক ও আন্ত:জিলা বাস মালিক সমিতির উপদেষ্টা দেলোয়ার হোসেন, শ্রমিক ইউনিয়ন সোনাপুর শাখা সভাপতি আবদুল মালেক, সোনাপুর শাখা আন্ত:জিলা বাস মালিক সমিতি সহ-সভাপতি আবুল খায়ের আরজু, যুগ্ন-সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন সোহাগ, শ্রমিক ইউনিয়ন সোনাপুর শাখা সম্পাদক হাবিব উল্যা জাকের প্রমূখ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে সকল মালিক ও পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তরা বলেন, পরিবহন শ্রমিকরা হচ্ছে সমাজের সবচেয়ে বেশী অবহেলিত জনগোষ্ঠী। একজন পরিবহন শ্রমিকের মৃত্যুর সাথে একটি পরিবারের স্বপ্নের মৃত্যু ঘটে। তাই মৃত্যুবরণকারী পরিবহন শ্রমিকদের পরিবারের জন্য সরকারী বেসরকারী সহযোগিতা প্রয়োজন। কিন্তু তাদের পরিবার এই সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত।
মরহুম ১০ পরিবহন শ্রমিক পরিবারের জন্য আন্ত:জিলা বাস মালিক সমিতি ও আন্তজিলা শ্রমিক ইউনিয়ন বি-১১৪৩ সোনাপুর শাখার যৌথ উদ্যেগে এই আর্থিক অনুদান একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। প্রতিটি পরিবারকে নগদ ২০ হাজার টাকা করে ২ লক্ষ টাকার এই অনুদান মৃত্যুবরণকারী পরিবহন শ্রমিকদের পরিবারের জন্য একটি বড় সহযোগিতা। সরকারসহ সমাজের বিত্তবানদের অসহায় শ্রমিকদের কল্যাণে এগিয়ে আসা উচিত।
Leave a Reply