1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. nktelevisioninfo@gmail.com : nktelevision :
মার্কেট দখলের অভিযোগ, মামলা-হয়রানি ও অপপ্রচারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ - এন কে টেলিভিশন
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মার্কেট দখলের অভিযোগ, মামলা-হয়রানি ও অপপ্রচারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই দেশে ফিরলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নোয়াখালীতে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে অটোরিকশা চালককে ধরে নিয়ে গুলি সোনাইমুড়ীর হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ৯ বছর পর গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে সিআইডি পরিচয়ে নারী অপহরণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৭ নোয়াখালীর হাতিয়ায় মিয়ানমারে পাচার হচ্ছিল ১,৩৬০ বস্তা সিমেন্ট, গ্রেপ্তার ৩ নোয়াখালীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জের মতবিনিময় সভা নির্মাণাধীন মাদরাসার তদন্তে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, নারীসহ গ্রেপ্তার ৭ নোয়াখালীতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পুড়ল ৫ দোকান

মার্কেট দখলের অভিযোগ, মামলা-হয়রানি ও অপপ্রচারের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর প্রতিনিধি :
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬ Time View

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার রামেরকুড়া এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছেন হাবিবুর রহমান হাবি মাস্টার ও উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরেফিন সোহাগের পক্ষ। উভয় পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টা, হয়রানি, মামলা ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলেছে।

পৃথক সংবাদ সম্মেলনে উভয় পক্ষই তাদের নিজ নিজ বক্তব্য তুলে ধরে প্রশাসনের কাছে জমির রেকর্ড, দলিল ও অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

হাবিবুর রহমান হাবি মাস্টারের পক্ষের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, রামেরকুড়া মৌজার ১৩০ ও ১৩১ নম্বর দাগের ৩০ শতাংশ জমিতে নির্মিত মার্কেটটি দীর্ঘদিন ধরে তারা বৈধ মালিকানা ও রেকর্ডের ভিত্তিতে ভোগদখল করে আসছেন। তাদের অভিযোগ, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরেফিন সোহাগের নেতৃত্বে লোকজন নিয়ে ওই মার্কেট দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এমনকি রাতের আঁধারে মার্কেট দখলের চেষ্টা এবং পাঁচটি দোকানের তালা ভেঙে মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়।

হাবি মাস্টারের পক্ষ আরও দাবি করে, জমি ও মার্কেটের মালিকানা এবং ভোগদখলের পক্ষে তাদের কাছে রেকর্ড, দলিল, মামলার ডিক্রি ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। পাশাপাশি ১২৩ নম্বর দাগের আরআর ও বিআরএস রেকর্ডের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলেও তারা দাবি করেন। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণের দাবি জানান তারা।

অন্যদিকে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরেফিন সোহাগ তাঁর লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ২০১১ সালে তাঁর বাবা মো. শাহ আলম রামেরকুড়া মৌজার বিআরএস ১২৩ নম্বর দাগ থেকে ১ দশমিক ১৮ শতাংশ জমি দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন। তাঁর দাবি, জমিটি ক্রয়ের পর ২০২০ সাল পর্যন্ত তারা শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে ছিলেন।

আরেফিন সোহাগের অভিযোগ, তিনি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হওয়ার পর থেকেই হাবিবুর রহমান হাবি মাস্টারসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয় এবং তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, একটি অস্ত্র মামলাসহ মোট ১১টি মামলা তাদের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি ডাকাতি মামলায় তিনি ও তার পরিবারের ১০ সদস্য সাত দিন কারাগারে থাকতে হয়েছে এবং পরে তারা জামিনে মুক্তি পান।

তিনি আরও বলেন, হাবি মাস্টারদের দাবিকৃত ১৩০ ও ১৩১ নম্বর দাগের ৩০ শতাংশ জমির ওপর তাদের কোনো দাবি নেই। বরং বৈধভাবে ক্রয় করা ১২৩ নম্বর দাগের জমি থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে মামলা ও হয়রানি করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
আরেফিন সোহাগ তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কারও সম্পত্তি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধে দলিল, খতিয়ান, নামজারি, রেকর্ড ও প্রকৃত দখল যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন।

পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনে উভয় পক্ষই রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রভাবের বাইরে থেকে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জমি সরেজমিনে পরিমাপ, দলিল-রেকর্ড যাচাই এবং প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে উভয় পক্ষই সাংবাদিকদের প্রতি বস্তুনিষ্ঠভাবে সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, কোনো এক পক্ষের বক্তব্যের ওপর নির্ভর না করে উভয় পক্ষের দলিলপত্র, রেকর্ড ও বক্তব্য যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরা হোক।

জমি নিয়ে চলমান বিরোধের কারণে এলাকায় উত্তেজনা ও উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়ায় বিষয়টির নিষ্পত্তি এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

উভয় পক্ষেরই মূল দাবি—জমির প্রকৃত মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত সব নথি যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025
Themes By ShimantoIT.com